পূর্ণ ঘুম না হতেই, যুবক মোবাইলের মধ্যে সিনেমা অর্থাৎ মুভি দেখা শুরু করেন, অবাক হলেও সত্য।  |
| বুঝতে সহায়ক চিত্র সংগৃহীত |
সম্প্রতি এমন একটি অবাক কান্ড ঘটেছে, বিদেশের মাটিতে। আমরা জানি ভোর হতেই মানুষ ঘুম থেকে উঠেই দাঁত ব্রাশ এবং ওয়াশ হয়ে কিছু সকালের নাস্তা পানি করে, অথবা কেউ কেউ জগিং করতে বেরিয়ে পড়ে, পরে তাদের পরিকল্পনা মোতাবেক দৈনন্দিন কাজ শুরু করে।
কিন্তু যুবক হঠাৎ এই কাজ টি করে বসে, যা দেখে রিতিমত পাশে ঘুমিয়ে থাকা ব্যক্তিটির চোখ গুলো দাঁড়িয়ে রইল।
যুবকটি সম্ভবত রাতে ঘুমানোর আগে একটি মুভি দেখেছিল কিন্তু মুভিটা রাতে পুরো দেখতে পারেনি,
অর্ধেক দেখেই প্রবাসীটা ঘুমিয়ে
পড়ে, কিন্তু তার মস্তিষ্ক থেকে বাকি মূভি দেখার ভূত সরেনি। তাই সূর্য ওঠার আগে যখন হঠাৎ জেগে ওঠে, সাথে সাথেই পাশে রাখা মোবাইল ফোনে মুভি দেখা শুরু করে। পাঁচ থেকে দশ মিনিট মুভি দেখার পর প্রবাসীটা আবার ঘুমিয়ে পড়ে। পাশের ব্যক্তিটা প্রথমে মনে করছিল, হয়তো কাজে বেরিয়ে পড়বে তাই বাকি মুভি দেখা শেষ করতেছেন, যখন দেখে কিছুক্ষণ পর যুবকটি ঘুমিয়ে পড়ে, তখন চিন্তা করে অন্য কিছু।
যেমনটি (মোবাইল আসক্ত) তার ধারনায় বাস্তব হলো।
মূলত সেই দিন রাত ২৪ ঘন্টার মধ্যে মোবাইল ফোনে আসক্ত হয়ে পড়ছে। এবং মস্তিষ্কে এর প্রভাব পড়েছে বিদায়, ঘুম ভাঙ্গার সাথে সাথেই মোবাইলে এন্টারটেইনমেন্ট নিয়ে ব্যস্ত।
পরে পাশের ব্যক্তিটি দেখে, যুবকটি পূনরাই সকাল ৮টায় ঘুম থেকে উঠে পর্য্য পরিস্কার হয়ে প্রতিদিনের মতোই ৯টার দিকে কাজে চলে গেছে। সে এই কান্ড আর কখনো দেখেনি বলে জানান।
পিক সংগৃহীত

মস্তিষ্ক ও অন্যান্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মতে,
এটা মোবাইল আসক্ত রোগ।
তাদের মতে বেশির ভাগ যুবক মোবাইল আসক্তে আক্রান্ত হয়ে,বড় ধরনের বিভিন্ন রোগে মৃত্যুর কাছাকাছি চলে আসে।
যেমনটি,ব্রেইন স্ট্রোক, কানে কম শোনা, চোঁখে ঝাপসা দেখা, হাতের কর্ম ক্ষমতা কমে যাওয়া, গ্যাস্ট্রিক সহ বিভিন্ন ধরনের রোগ। কিন্তু যুবকরা সেটা সহজেই অনুভব করতে চাইনা, যখন ৩৫ থেকে ৪০ বয়সে পৌঁছে তখন রোগ গুলো অনুভব করতে পারে।
তখন তো আর কি করার থাকে?
প্রত্যোকটা ব্যক্তির দিন এবং রাতের সময় অনুযায়ী, কাজ-কর্ম খাওয়া-দাওয়া, ঘুম ইত্যাদি সময় মত করা উচিত, তাহলে, সূ- স্বাস্থ্য ভালো সহ অকাল ঝুঁকিপূর্ণ জীবনকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।
0 মন্তব্যসমূহ