About Me

বিমানবন্দরে ৬ টি আরটি-পিসিআর ল্যাবে আরব আমিরাত প্রবাসীদের করোনা পরীক্ষা শুরু হয়নি

ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংগৃহীত ছবি

আটকা পড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসীদের আর কত অপেক্ষা করতে হবে?

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং সন্ধ্যা ৬:১৫ বিডি সময়

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পূর্বের দেয়া তথ্যঅনুযায়ী আজ মঙ্গলবার থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আরটি-পিসিআর পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে ফ্লাইট চলাচল হওয়ার কথা ছিল। প্রবাসীদের দীর্ঘ অপেক্ষার পালা শেষ হবে এমনটি মনে করেছিলেন আটকা পড়া প্রবাসীরা। 

পূর্বে একদফা ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল, পরে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে পুরোপুরি চালু হবে এমনটি বলা হয়েছিল। তবে বিমানবন্দরে পরীক্ষার ল্যাব প্রস্তুত রয়েছে এবং প্রবাসীদের সেবা দিতে তারা প্রস্তুত, কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে কোন সবুজ সংকেত না পাওয়ায় আজকে পরীক্ষা শুরু করতে পারেনি এবং কোন আমিরাতগামী প্রবাসীর যাওয়া হলোনা। এই প্রতবেদন পাওয়া পর্যন্ত সন্ধ্যা ৭:১৫ এর খবর।

সময় খবর এর বরাত অনুযায়ী, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতি মন্ত্রী জানান, এখন এয়ারপোর্টে সব কিছু ঠিক আছে, আমিরাত সরকারের সবুজ সংকেত ফেলে প্রবাসীরা চলে যেতে পারবেন। মন্ত্রী জানান, আরব আমিরাত সরকার ৬ টি ল্যাবের মধ্যে একটি ল্যাবের অনুমোদন দিয়েছিল যেটি দিয়ে পরীক্ষামূলক প্রবাসীদের পাঠানো হয়েছিল। এখন এই পাঁচটি ল্যাবের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষায় আছে, এবং মন্ত্রণালয় সার্বক্ষণিক এই ব্যাপারে যোগাযোগ রাখছেন বলে জানান।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সহ এয়ারপোর্ট সংশ্লিষ্ট সবাই একিই কথা বলেছেন।

আরো পড়ুন:

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী দুবাই সফরে 

তথ্যঅনুযায়ী যতক্ষণ না আরব আমিরাত থেকে সিভিল এভিয়েশন কতৃপক্ষের কাছে কোন গ্ৰীণ সিগনাল আসছে ততক্ষণ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কারণ এই ল্যাব গুলো সম্পর্কে প্রতিবেদন আমিরাত সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে, তারা যাচাই বাছাই করে একটা রিপোর্ট দিবে। আশা করা যায় সব কিছু যখন ঠিক টাক আছে, তাহলে যেকোনো সময় একটা সংকেত আসতে পারে। 

সর্বশেষ সিভিল সার্জন তিনিও বলেন আমিরাত থেকে সবুজ সংকেত আসলে, এরপর সিডিউল ঠিক করলে, প্রবাসীরা পরীক্ষা করে নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিয়ে চলে যেতে পারবেন।

বিমানবন্দরে, সংযুক্ত আরব-আমিরাতের বেঁধে দেয়া ৬ ঘন্টা আগে দ্রুত পিসিআর পরিক্ষা বাধ্যতামূলক হওয়ায়, অনেক প্রবাসীর ভিসার মেয়াদ শেষ এবং অনেকের শেষ হওয়ার পথে, প্রবাসীরা জানিয়েছেন। যদি এই পদ্ধতি বাধ্যতামূলক না হতো তাহলে অনেক আগেই প্রবাসীরা চলে যেতে পারতেন বলে মনে করেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ