About Me

জানেন কি? ইংরেজি ভাষায় দক্ষ বাংলাদেশীদের জন্য আরব আমিরাতে রয়েছে ভালো কাজের সুযোগ

ইংরেজি ভাষায় দক্ষ বাংলাদেশীদের জন্য আরব আমিরাতে রয়েছে ভালো কাজের সুযোগ

আপনি কি বাংলাদেশী নাগরিক? আপনি কি শিক্ষিত? আপনি কি ইংরেজী ভাষায় কথোপকথন এবং লেখায় যথেষ্ট পারফেক্ট? তাহলে আপনার জন্য  এই লেখাগুলো।

পৃথিবীতে চাকুরীর বাজার অব্যাহত রয়েছে ভবিষ্যতেও থাকবে। তবে করোনাকালীন সময় টা সমস্ত বাজার পরিবর্তন করে দিয়েছে। তারপরও আস্তে আস্তে সব কিছু স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতেছে। কিন্তু যোগ্যতা ব্যাক্তিরাই যে কোন সময়েই এগিয়ে থাকবে, সেটাই নিয়ম। তাই তাদের জন্য সুবিধাজনক এই রাস্তা বের করে নিয়ে আসলাম।

আপনি শিক্ষিত, মার্জিত, স্মার্ট এবং ভাষাগত দক্ষতায় যদি নিজেকে সাচ্ছন্দ্যবোধ মনে করেন তাহলে, আপনার জন্য দেশে চাকরীর পাশাপাশি বিদেশেও ভালো মানের এবং ভালো বেতনের চাকুরী রয়েছে।

যদি আপনি মনে করেন, বিদেশে চাকুরী করবেন, তাহলে কয়েকটি ক্যাটাগরির চাকুরী আপনার জন্য তুলে ধরবো।

আরো পড়ুন...

বিদেশে কাজের ভিসায় আসতে চাইলে বয়স কত হতে হবে?


এখানে যেগুলো উল্লেখ করবো, সেগুলো কোন ইন্জিনিয়ারিং কিংবা সেই লেভেলের কোন বিষয় নয়। শুধু মাত্র ভাষার উপর নির্ভর করে সম্মান এবং ভালো আয় দুটোই পাবেন।

যেমন টি-

১/ ফাইভ স্টার, ফোর স্টার, থ্রিস্টার মানের হোটেলে চাকুরী

২/ ট্যুরিস্ট কোম্পানিতে চাকুরী

৩/ নামি দামি আবাসিক হোটেলে চাকুরী

৪/বিভিন্ন ম্যাটেরিয়াল বা পন্য বিক্রয়ে বড় কোম্পানির বায়ার সহযোগী চাকুরী

৫/ বিভিন্ন সেক্টরের বড় কোম্পানিগুলোর অফিস ম্যানেজমেন্ট অথবা সহকারী চাকুরী

৬/ প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পন্যের মার্কেটিং

৬/ একজন ইন্টারন্যাশনাল বিক্রেতা হিসেবে চাকুরী

৭/ অফিস রিসিভশনার হিসেবে চাকুরী

আরো অন্যান্য....

তবে এখানে পাশাপাশি, যদি মাইক্রোসফট অফিস এর অন্তর্ভুক্ত প্রোগ্রাম এবং ফটোশফ এর কাজ জানা থাকে, তাহলে আপনি সম্পূর্ণ পারফেক্ট এবং যেকোন প্রতিষ্ঠানে আপনার চাকুরী নিশ্চিত বলা যায়।

বর্তমানে এইরকম অনেক গুলো যায়গা দখল করে আছে, ফিলিপাইন, ইন্ডিয়া, শ্রীলঙ্কা অন্যান্য।

কারন এই সমস্ত চাকুরীগুলো তাদের অধীনে রাখতে, তারা ইন্টারন্যাশনাল পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন। যার অর্থ হচ্ছে ভাষা। ইংরেজি ভাষায় কথা বলা এবং ইংরেজি ভাষায় সেভাবে লেখা। তবে এটাই বেশি লক্ষনীয় যে, ইংরেজি ভাষার কারনে, বিভিন্ন অফিসে, শতকরা ৯৫ শতাংশ ফিলিপাইন, পুরুষ ও মহিলা কর্মরত রয়েছে। আমাদের বাংলাদেশীরা সেদিকে নজর দেয়নি, এবং মনে হয় না কখনো এই জায়গাগুলো নিয়ে চিন্তা করেছে। তবে এখনো সেই সুযোগ রয়েছে, এই যায়গা গুলো অনেক ক্ষেত্রেই নিজেদের দখলে নিয়ে আসার। তাহলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন আরো একধাপ এগিয়ে যাবে।

আরো পড়ুন এবং জানুন...

পাসপোর্টে সংক্ষিপ্ত নাম থাকলে কি ভিসা পাওয়া যায় না?



বাংলাদেশীরা অধিকাংশ কন্সট্রাকশন, বিভিন্ন দোকান পাট, বা বিভিন্ন কোম্পানিতে কর্মরত রয়েছে। তবে সেগুলো বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সক্ষম হলেও, যথেষ্ট পরিমাণে পারফেক্ট নয়। কারন আয়ের দিক দিয়ে, সেই অনুপাতে রয়েছে নিম্নে। 

সর্বোচ্চ আয়ে যেতে আমাদের হাই লেভেলের চাকুরীকে টার্গেট করে যদি শিক্ষিত যুবকদের কাজে লাগাতে পারি, তাহলে আস্তে আস্তে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আয়, সেটা বাংলাদেশীরা ভোগ করবে তাতেই কোন সন্দেহ নেই।

মূলত ফিলিপাইন, ইন্ডিয়ান, শ্রীলঙ্কা এবং অন্যান্য রা যে পরিমাণের বেতনে চাকুরী করে, সেই পরিমাণে বাংলাদেশী শিক্ষিত যুবকদের চাকুরী করতে হবে।

এদের দ্বারা দুইটি লাভ। একটা হচ্ছে তাদের যোগ্যতা এবং জ্ঞানের দ্বারাই বাংলাদেশকে প্রমোট করা, আরেকটি হচ্ছে তাদের দ্বারা সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আয় করা।

তবে এক্ষেত্রে শুধু ভিসাধারীকে এগিয়ে আসলে হবে না, সংশ্লিষ্ট সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

যেমন, দূতাবাস, প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়, এবং আরব আমিরাতে বাংলাদেশী ট্রাভেল এজেন্সি সহ কমিউনিটি গুলো। সবারই একটাই চাওয়া থাকবে, বাংলাদেশী শিক্ষিত যুবকদের দিয়ে আরব আমিরাতের, হাই লেভেলের চাকুরীগুলো নিয়ন্ত্রণে আনা। মন্ত্রণালয়গুলো যদি যুবকদের সেভাবে উদবোদ্ধ করে, তাহলে তাদের আগ্ৰহ তৈরি হবে।

যাইহোক, যদি আপনি বিদেশে জব করবেন, সেটা আমলে নেন তাহলে আপনাকে যা করতে হবে:

আপনাকে আপনার পরিচিত কারো মাধ্যমে দুবাই বা অন্যান্য সিটিতে ভিজিট ভিসা নিয়ে আসতে হবে।

আরো পড়ুন...

#পৃথিবীর সবচেয়ে সেরা শ্রমিক কারা?

#আপনি কি বিদেশে কাজ করতে আগ্রহী?

#ভাষা জানলে বিদেশে কর্মক্ষেত্রে অর্ধেক সফলতা আসে

বিদেশে মাধ্যম যে জন্য প্রয়োজন হয়: আপনি নতুন কিন্তু আপনার পরিচিতজনরা হচ্ছে পূরাতন, তারা আপনাকে চাকুরী পাওয়ার ক্ষেত্রে এবং সেদেশের যায়গাগুলো চেনার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে। সুবিধা অসুবিধা সম্পর্কে অনেক কিছু ধারণা দিতে পারবে। বাকি কাজ আপনার যোগ্যতার উপর

৩ মাসের ভিজিট ভিসায় এসে এই সময়ের মধ্যে, আপনি ভালো একটা চাকুরী নিয়ে নিতে পারবেন।

দুবাইতে আরেকটি সুবিধা হচ্ছে, কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় সময় যোগ্যতা ব্যাক্তিদের জন্য পত্র পত্রিকায়, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে চাকুরী পেতে আরো সহজ হয়ে যায়। শুধুমাত্র আপনাকে ইন্টারভিউ দিয়েই, আপনার যোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে। তাহলে আপনার চাকুরী হয়ে গেল। আর যদি সরাসরি নিয়োগ হতে চান তাহলে, মাধ্যমের দ্বারা আপনাকে আগ্ৰহী প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি বাংলাদেশ থেকে কথা বলে ফাইনাল করতে হবে। এরপর তারা ভিসা দিলে, প্রক্রিয়াগুলো শেষ করে চলে যেতে পারবেন।

ভিসা খরচ সম্পর্কে: যদি আপনি নিজে প্রস্তুতি নিয়ে আসেন তাহলে সরকারি ভিসা ফি এবং টিকেট ও অন্যান্য খরচ গুলো বহন করে আপনাকে যেতে হবে।

সেক্ষেত্রে ট্রাভেল এজেন্সি গুলো আপনাকে ভিসা পাওয়াতে যাবতীয় কাজ করে দিবে। যাওয়ার ক্ষেত্রে গাইড লাইন সম্পর্কে ধারণা দিয়ে দিবে।

আর যদি কোন প্রতিষ্ঠান সরাসরি আপনাকে নিতে চাই, তাহলে তারাও ভিজিট ভিসা দিতে পারে। আপনি সেখানে পৌঁছার পর পূণরায়, কাজের ভিসায় রুপান্তর করে নিবে প্রতিষ্ঠান টি। কাজের ভিসায় রুপান্তর হতে, বাংলাদেশে আসার আর প্রয়োজন নেই, গভর্নমেন্ট এর নিয়ম অনুযায়ী সেখানে ভিসা পরিবর্তন করা যায়।

আশাকরি যারা ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জন করেছে, তাদের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভালো সুযোগ রয়েছে। সুযোগ টা কাজে লাগিয়ে নিজে সাবলম্বী এবং দেশকেও অর্থনৈতিক ভাবে এগিয়ে রাখা সম্ভব। এবং হাই কোয়ালিটি চাকুরীর বাজারে বাংলাদেশীদের বিস্তার বাড়ানো যোগউপযোগী এবং গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি।

ই-পাসপোর্ট বাংলাদেশ চেক করার নিয়মাবলী








একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ