যে কারনে Facebook/ YouTube থেকে মনের মত ইনকাম করতে পারছেন না?
× সঠিক টাইম অনুযায়ী ভিডিও পাবলিষ্ট না করা× সাপ্তাহিক কয়টি ভিডিও আপলোড হবে তা সিডিউল না করা
× প্রফেশনাল অনুযায়ী কাজ না করা
× ভিডিওর থাম্বনাইল কোয়ালিটিপূর্ণ না হওয়া
× ভিডিওর seo না করা, সঠিক ট্যাগ ব্যবহার না করা
সমাধান:
× সঠিক টাইম অনুযায়ী ভিডিও পাবলিষ্ট না করা!
√ সমাধান: আপনাকে আপনার ভাষা অনুযায়ী অডিয়েন্স লক্ষ্য করে, নির্দিষ্ট সময়ে ভিডিও পাবলিষ্ট করতে হবে। যাতে আপনার দর্শকরা বুঝতে পারে, আপনি নির্দিষ্ট সময়ে ভিডিও পাবলিষ্ট করছেন, সে অনুযায়ী দর্শকরা প্রস্তুতি নিতে পারে ভিডিও দেখার জন্য।
কোন সময়ে ভিডিও পাবলিষ্ট করবেন?
সচরাচর দেখা যায়, বড় বড় যত চ্যানেল রয়েছে তারা বেশির ভাগ বিকালে পাবলিষ্ট করে থাকে।
দুইটি সময় নির্বাচন করা যায়, বিকাল ৪টা অথবা বিকাল ৫টা। এই সময়ে দর্শকরা মোবাইলে সময় ব্যয় করে। সকাল দিকে সবাই নিজের কাজে ব্যস্ত থাকে, তাই সকাল বেলা বিবেচনায় রাখা হয় না।
× সাপ্তাহিক কয়টি ভিডিও আপলোড হবে তা সিডিউল না করা
√ সমাধান: সপ্তাহে ৩টি ২টি অথবা ১টি যাই করেন না কেন, সেটি যেন সিডিউল হয়। যেমন সাপ্তাহিক ২ টি ভিডিও আপলোড করছেন, সে আপলোড ভিডিওর দিনক্ষণ এবং সময় যেন আগে পিছে না হয়। নির্দিষ্ট দিন এবং নির্দিষ্ট সময়ে ভিডিও আপলোড করতে হবে। যা ইউটিউব কোম্পানি ভিডিও rank করাতে সাহায্য করবে।
× প্রফেশনাল অনুযায়ী কাজ না করা
√ সমাধান: প্রতিযোগিতার বাজারে টিকে থাকতে হলে, বুদ্ধি খরচ করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। ইউটিউবে এত বেশি ক্রিয়েটর রয়েছে, যেখানে সফল হতে গেলে অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হবে।
যেমন আপনাকে কোয়ালিটিপূর্ণ ভিডিও তৈরি করতে হবে। ভিডিও দেখতে নিখুঁত হতে হবে। ভিডিওর ক্যাটাগরি ঠিক রাখতে হবে, যেমন আপনি ভিডিও বানাচ্ছেন স্পোর্টস নিয়ে অতএব আপনাকে সেই ক্যাটাগরিতে থাকতে হবে।
অন্য ক্যাটাগরির ভিডিও, যেমন মিক্স ক্যটাগরির ভিডিও আপলোড করা যাবে না। সফলতার জন্য একটি নির্দিষ্ট নিস নিয়ে কাজ করা উত্তম। আপনাকে প্রফেশনাল হিসেবে কাজ করতে হবে। যেমন আপনি কোন এক যায়গায় চাকরি করছেন, আপনি কাজ এবং টাইম দুটুই মেনে আপনার চাহিদা মেটাচ্ছেন। মাসে মাসে বেতন নিচ্ছেন, কাজ ভালো করলে প্রমোশন হচ্ছে। ঠিক একই ভাবে যদি ইউটিউব বা ফেইসবুকে কাজ করেন তাহলে আপনি সফল হবেন নিশ্চিতভাবেই।
× ভিডিওর থাম্বনাইল কোয়ালিটিপূর্ণ না হওয়া
√ সমাধান: ভিডিওর থাম্বনাইল হচ্ছে বাহিরের মানুষকে ভিতরে নিয়ে আসার একটা কৌশল বলতে পারেন। যদি আপনার থাম্বনাইল দর্শকের নজর কাড়তে সক্ষম হয়, সেক্ষেত্রে ভিউ বাড়বে আর ভিউ বাড়লে আপনি সার্থক। আপনি লক্ষ্য মাত্রায় পৌঁছাতে পারবেন, ভালো ইনকামের জন্য।
ভিডিও যা তৈরি করেন না কেন, দুইটি জিনিস দর্শকের গুরুত্বপূর্ণ, একটি ক্লিয়ার ভিডিও আরেকটি আকর্ষণীয় থাম্বনাইল। থাম্বনাইল ভালো হলে দর্শক নিজ থেকে বাধ্য হয়ে যে সেখানে ক্লিক করবে।
× ভিডিওর seo না করা, সঠিক ট্যাগ ব্যবহার না করা
√ সমাধান: যতই ভালো ভিডিও আপলোড করেন না কেন, সেটি র্যাঙ্কিং-এ নিয়ে আসা কিন্তু খুবই কঠিন। কারন আপনার মত আরো লাখ লাখ ক্রিয়েটর র্যাঙ্কিং এর জন্য প্রতিযোগিতা করছেন। তাই আপনাকে প্রতিটা ভিডিও মনোযোগ সহকারে seo করতে হবে। Seo এর কাজটা হচ্ছে মূলত, আপনার ভিডিওটি চেনা/অচেনা দর্শকের সামনে পৌঁছানো।
যেমন: কোন দর্শক গুগল কিংবা ইউটিউববে সার্চ করলে আপনার ভিডিওটি যেন প্রথম সারির কাতারে এসে যায়, অন্য সব ক্রিয়েটরের ভিডিওকে পিছনে ফেলে আপনার ভিডিও যেন সবার উপরে থাকে। একইভাবে Facebook-এ ফলো করতে হবে। যারা Facebook নিয়ে কাজ করেন তাদের ক্ষেত্রেও কোন ব্যবধান নেই, প্রায়ই একই। দর্শক প্রথম সারির ভিডিওকে সব সময় প্রাধান্য দেয়, তাই দর্শক যদি প্রথম সারির ভিডিওকে ক্লিক করে তাহলে আপনি সফল।
ভিডিওতে টাইটেল, সাবটাইটেল, ডেসক্রিপশন, ট্যাগ, লিংক, end screen, সাজেষ্ট ভিডিও সহ সব গুরুত্বপূর্ণ সেটিংসগুলো যেন seo আকারে হয়। Seo করা ভিডিও আজ না হয় কাল র্যাঙ্কিং-এ উঠে আসবে নিশ্চিত। শুধু মনো যোগ দিতে হবে ধারাবাহিক ভিডিও আপলোড করার জন্য।
যদি এমন হয়, একটা ভিডিও আপলোড দিলাম আজ বিকাল ৪টা, আরেকটি ভিডিও আপলোড দিলাম আরো পনের দিনের মাথায় সকাল ১১ টায় এমন হলে seo করেও কোন লাভ নেই। একটা রুটিন করে, নির্দিষ্ট টাইম এবং কম হলেও সাপ্তাহিক ৩টি ভিডিও আপলোড দিতে হবে। বাকি কাজ ইউটিউব নিজেই করে নেবে।
এখানে আপনাকে প্রায়ই ধারনা দেয়া হয়েছে, সফলতার ক্ষেত্রে বাকিটা নির্ভর করবে নিজের কাজের গতির উপর। লাখ লাখ টাকা যারা আয় করছেন, তারা এই নিয়ম গুলো ফলো করেন এবং এমন ভাবে কাজ করেন যেন এটি তাদের একটি পরিবার চালানোর মত পেশা। যদি পোস্টটি আপনার জন্য উপকারী হয় তাহলে এখুনি শেয়ার করে দিন।
× সঠিক টাইম অনুযায়ী ভিডিও পাবলিষ্ট না করা!
√ সমাধান: আপনাকে আপনার ভাষা অনুযায়ী অডিয়েন্স লক্ষ্য করে, নির্দিষ্ট সময়ে ভিডিও পাবলিষ্ট করতে হবে। যাতে আপনার দর্শকরা বুঝতে পারে, আপনি নির্দিষ্ট সময়ে ভিডিও পাবলিষ্ট করছেন, সে অনুযায়ী দর্শকরা প্রস্তুতি নিতে পারে ভিডিও দেখার জন্য।
কোন সময়ে ভিডিও পাবলিষ্ট করবেন?
সচরাচর দেখা যায়, বড় বড় যত চ্যানেল রয়েছে তারা বেশির ভাগ বিকালে পাবলিষ্ট করে থাকে।
দুইটি সময় নির্বাচন করা যায়, বিকাল ৪টা অথবা বিকাল ৫টা। এই সময়ে দর্শকরা মোবাইলে সময় ব্যয় করে। সকাল দিকে সবাই নিজের কাজে ব্যস্ত থাকে, তাই সকাল বেলা বিবেচনায় রাখা হয় না।
× সাপ্তাহিক কয়টি ভিডিও আপলোড হবে তা সিডিউল না করা
√ সমাধান: সপ্তাহে ৩টি ২টি অথবা ১টি যাই করেন না কেন, সেটি যেন সিডিউল হয়। যেমন সাপ্তাহিক ২ টি ভিডিও আপলোড করছেন, সে আপলোড ভিডিওর দিনক্ষণ এবং সময় যেন আগে পিছে না হয়। নির্দিষ্ট দিন এবং নির্দিষ্ট সময়ে ভিডিও আপলোড করতে হবে। যা ইউটিউব কোম্পানি ভিডিও rank করাতে সাহায্য করবে।
× প্রফেশনাল অনুযায়ী কাজ না করা
√ সমাধান: প্রতিযোগিতার বাজারে টিকে থাকতে হলে, বুদ্ধি খরচ করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। ইউটিউবে এত বেশি ক্রিয়েটর রয়েছে, যেখানে সফল হতে গেলে অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হবে।
যেমন আপনাকে কোয়ালিটিপূর্ণ ভিডিও তৈরি করতে হবে। ভিডিও দেখতে নিখুঁত হতে হবে। ভিডিওর ক্যাটাগরি ঠিক রাখতে হবে, যেমন আপনি ভিডিও বানাচ্ছেন স্পোর্টস নিয়ে অতএব আপনাকে সেই ক্যাটাগরিতে থাকতে হবে।
অন্য ক্যাটাগরির ভিডিও, যেমন মিক্স ক্যটাগরির ভিডিও আপলোড করা যাবে না। সফলতার জন্য একটি নির্দিষ্ট নিস নিয়ে কাজ করা উত্তম। আপনাকে প্রফেশনাল হিসেবে কাজ করতে হবে। যেমন আপনি কোন এক যায়গায় চাকরি করছেন, আপনি কাজ এবং টাইম দুটুই মেনে আপনার চাহিদা মেটাচ্ছেন। মাসে মাসে বেতন নিচ্ছেন, কাজ ভালো করলে প্রমোশন হচ্ছে। ঠিক একই ভাবে যদি ইউটিউব বা ফেইসবুকে কাজ করেন তাহলে আপনি সফল হবেন নিশ্চিতভাবেই।
× ভিডিওর থাম্বনাইল কোয়ালিটিপূর্ণ না হওয়া
√ সমাধান: ভিডিওর থাম্বনাইল হচ্ছে বাহিরের মানুষকে ভিতরে নিয়ে আসার একটা কৌশল বলতে পারেন। যদি আপনার থাম্বনাইল দর্শকের নজর কাড়তে সক্ষম হয়, সেক্ষেত্রে ভিউ বাড়বে আর ভিউ বাড়লে আপনি সার্থক। আপনি লক্ষ্য মাত্রায় পৌঁছাতে পারবেন, ভালো ইনকামের জন্য।
ভিডিও যা তৈরি করেন না কেন, দুইটি জিনিস দর্শকের গুরুত্বপূর্ণ, একটি ক্লিয়ার ভিডিও আরেকটি আকর্ষণীয় থাম্বনাইল। থাম্বনাইল ভালো হলে দর্শক নিজ থেকে বাধ্য হয়ে যে সেখানে ক্লিক করবে।
× ভিডিওর seo না করা, সঠিক ট্যাগ ব্যবহার না করা
√ সমাধান: যতই ভালো ভিডিও আপলোড করেন না কেন, সেটি র্যাঙ্কিং-এ নিয়ে আসা কিন্তু খুবই কঠিন। কারন আপনার মত আরো লাখ লাখ ক্রিয়েটর র্যাঙ্কিং এর জন্য প্রতিযোগিতা করছেন। তাই আপনাকে প্রতিটা ভিডিও মনোযোগ সহকারে seo করতে হবে। Seo এর কাজটা হচ্ছে মূলত, আপনার ভিডিওটি চেনা/অচেনা দর্শকের সামনে পৌঁছানো।
যেমন: কোন দর্শক গুগল কিংবা ইউটিউববে সার্চ করলে আপনার ভিডিওটি যেন প্রথম সারির কাতারে এসে যায়, অন্য সব ক্রিয়েটরের ভিডিওকে পিছনে ফেলে আপনার ভিডিও যেন সবার উপরে থাকে। একইভাবে Facebook-এ ফলো করতে হবে। যারা Facebook নিয়ে কাজ করেন তাদের ক্ষেত্রেও কোন ব্যবধান নেই, প্রায়ই একই। দর্শক প্রথম সারির ভিডিওকে সব সময় প্রাধান্য দেয়, তাই দর্শক যদি প্রথম সারির ভিডিওকে ক্লিক করে তাহলে আপনি সফল।
ভিডিওতে টাইটেল, সাবটাইটেল, ডেসক্রিপশন, ট্যাগ, লিংক, end screen, সাজেষ্ট ভিডিও সহ সব গুরুত্বপূর্ণ সেটিংসগুলো যেন seo আকারে হয়। Seo করা ভিডিও আজ না হয় কাল র্যাঙ্কিং-এ উঠে আসবে নিশ্চিত। শুধু মনো যোগ দিতে হবে ধারাবাহিক ভিডিও আপলোড করার জন্য।
যদি এমন হয়, একটা ভিডিও আপলোড দিলাম আজ বিকাল ৪টা, আরেকটি ভিডিও আপলোড দিলাম আরো পনের দিনের মাথায় সকাল ১১ টায় এমন হলে seo করেও কোন লাভ নেই। একটা রুটিন করে, নির্দিষ্ট টাইম এবং কম হলেও সাপ্তাহিক ৩টি ভিডিও আপলোড দিতে হবে। বাকি কাজ ইউটিউব নিজেই করে নেবে।
এখানে আপনাকে প্রায়ই ধারনা দেয়া হয়েছে, সফলতার ক্ষেত্রে বাকিটা নির্ভর করবে নিজের কাজের গতির উপর। লাখ লাখ টাকা যারা আয় করছেন, তারা এই নিয়ম গুলো ফলো করেন এবং এমন ভাবে কাজ করেন যেন এটি তাদের একটি পরিবার চালানোর মত পেশা। যদি পোস্টটি আপনার জন্য উপকারী হয় তাহলে এখুনি শেয়ার করে দিন।
আরো জানুন...

0 মন্তব্যসমূহ