About Me

গুগল এডসেন্স এ্যড লিমিট দূর করার উপায় এবং এ্যড লিমিট কেন আসে তা জানুন

Google AdSense ads limited

এডসেন্স এ্যড লিমিট আসার কারন এবং সমাধান জানুন

Ad serving is currently limited.

প্রকাশিত: শনিবার ৯জুলাই ২০২২

গুগল এডসেন্স কতৃপক্ষ যে কারণে ব্লগার ওয়েবসাইট বা ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটে এডসেন্স বিজ্ঞাপন লিমিট করে দেয় তার অন্যতম কারণগুলো এই পোস্টে তুলে ধরা হলো...

The number of ads you can show has been limited. For details, go to the policy center.

একজন প্রকাশক, ক্রিয়েটর বা ব্লগার বা যারা যে বিষয়ে ওয়েবসাইটে তা লেখা লেখি করুক না কেন তাতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করলেও হঠাৎ একসময় তা হারিয়ে ফেলে এবং খুবই মনে কষ্ট পাই, শুধুমাত্র সতর্ক না থাকার কারনে। তাই এখানে জানবো কিভাবে সতর্ক থাকতে হবে এবং কি করলে এড সিমিত থেকে মুক্তি পাব। যা পরিপূর্ণ আয় করার ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি হবে না।

আমরা জানি একজন ওয়েবসাইটের মালিক দীর্ঘ দিন ধরে অনেক পরিশ্রম করে গুগল থেকে এডসেন্স অনুমোদন পাই। এবং পাওয়ার পর যদি আবার হারাতে বসে তাহলে কি আর মাথা ঠিক থাকে, একবার এডসেন্স অনুমোদন পাওয়া আর সোনার হরিণ হাতে পাওয়া একই কথা। কিন্তু নিজেদের ভূলের কারনে বিজ্ঞাপন থেকে আয় হওয়া সত্ত্বেও এডসেন্স কতৃপক্ষ তা আবার লিমিট করে দেয়। আর লিমিট করে দিলে আয়টা আর পরিপূর্ণ হচ্ছে না, আর পরিপূর্ণ ইনকাম না হলে আপনার পরিশ্রমের কোন মূল্য নেই।

বিশেষ করে যারা নতুন এডসেন্স পেয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা দেখা দেয়, কারণ তারা এডসেন্স পলিসি সম্পর্কে অবগত নয়।

অনেকেই এডসেন্স অনুমোদন পাওয়ার যোগ্য বিষয়গুলো পুরন করতে না পেরে, হতাশ হয়ে ওয়েবসাইট লেখা লেখি থেকে চলে গেছেন। তবে এটিই বাস্তব সঠিক ভাবে যোগ্য হওয়ার জন্য কাজ করলে অবশ্যই এডসেন্স অনুমোদন পাওয়া যায়।

সমস্যা:

প্রধানত যে কারণ গুলোর কারনে সমস্যা হয়, 

আমরা এখন জানবো কেন এড লিমিট আসে:

>> নিজের ওয়েবসাইটে নিজে বার বার পোস্ট গুলো দেখা

>> বিজ্ঞাপন ঠিক মত শো হচ্ছে কিনা তা বার বার রিফ্রেস করে দেখা

>> বিজ্ঞাপনে নিজে ক্লিক করা

>> সোশ্যল মিডিয়ায় লিংক শেয়ার করে ট্রাফিক নিয়ে আসা

>> এক ওয়াইফাই আইপি দিয়ে অন্য মোবাইলে বিজ্ঞাপনে ক্লিক করা বা বার বার পোস্ট গুলো দেখা 

>> অরিজিনাল কন্টেন্ট কম হওয়া

>> অরগ্যানিক ট্রাফিক এর চেয়ে সোশ্যাল ডাইরেক্ট ট্রাফিক বা ভিজিটর বেশি হওয়া ইত্যাদি...

এ্যড লিমিট এর নোটিফিকেশন ছবি 

মূলত মূল সমস্যা হলো অবৈধ ট্রাফিক invalid traffic যা গুগল পছন্দ করে না এবং গুগল চাই সবসময় যেন সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে ট্রাফিক আসে যাকে অরগ্যানিক ট্রাফিক বলে থাকে।

এগুলোর বাক্য করতে গেলে লেখার শেষ হবে না, তাই সংক্ষেপে এখানে আলোচনা করছি। এডসেন্স অনুমোদন হওয়ার পর উপরে উল্লেখিত সমস্যা গুলো কখনো ব্যবহার করা যাবে না। অন্য তাই এড লিমিট তো আসবেই সাথে কতৃপক্ষ যদি যাচাই বাছাই করার পর মনে করে আপনার ওয়েবসাইটে যা হচ্ছে সব গুগল এডসেন্স পলিসি বিরোধী তাহলে একেবারেই নিষ্ক্রিয় disable করে দিতে পারে গুগল এডসেন্স। যা আর ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। নতুন করে আরেকটি নতুন জিমেইল দিয়ে আবার এডসেন্স অনুমোদন নেওয়ার পরিশ্রম করে যেতে হবে।

আরো পড়ুন...

বিরক্তিকর বিজ্ঞাপন ছাড়া ইমু ব্যবহার করুন

সমাধান:

যেভাবে এড লিমিট রিমুভ হবে তার সম্ভাব্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলো তুলে ধরছি:

>> যেদিন থেকে আপনি বুঝতে পারবেন এড লিমিট শুরু হয়েছে, সেদিন থেকে আপনি কোন সোশ্যল মিডিয়ায় লিংক শেয়ার বা পোস্ট করা বন্ধ করে দিন

>> by ad unit এডসেন্সের পেইজ থেকে সব unarchive আনআর্কাইভ করে দিন

>> By site থেকে auto ads অফ করে দিন

এভাবে কয়েকটা দিন অপেক্ষা করুন, এবং গুগল এনালিটিক্স- এ প্রতিদিন ট্রাফিক চেক করুন। যদি অরগ্যানিক ট্রাফিক এর চেয়ে সোশ্যাল ডাইরেক্ট ট্রাফিক অনেক কমে যায় তাহলে auto ads অন করে দিন। মূলত আপনার লিমিট এড বিষয়টি তারা ৩০ দিনের জন্য দিয়ে দেয় এর ভিতর রিভিউ করে যাচাই বাছাই করে। যদি তারা মনে করে এই সময়ের ভিতর কোন লংঘন হয়নি তাহলে এড লিমিট তুলে নেবে। এরপর আপনি by ad unit এড চালু করতে পারবেন। মূলত আপনাকে উপরে উল্লেখিত সমস্যা গুলো বর্জন করতে হবে। মূলত এইভাবে সমাধান করার জন্য স্পস্ট করে তারা বলে না, কিন্তু রিসার্চ করে দেখা যায় এড লিমিট দুর করতে বাস্তবে এটিই ভালো পন্থা। আমরা এভাবেই এড লিমিট দুর করতে পেরেছি। গুগল শুধু একটি কথা বলে মানে ডেভলাপ করো। অর্থাৎ আপনাকে ম্যানুয়ালি এড গুলো রিমুভ করার পর পূণরায় নতুন করে সেট করতে হবে। মনে রাখবেন আপনার পোস্ট এবং আর্টিকেল যেন বিজ্ঞাপনে ভরপুর হয়ে না যায়, অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন এর কারনেও কিন্তু লিমিট দিয়ে দেয়।

আপনি যদি এড অন রেখে, লিমিট দুর করতে চান, সেক্ষেত্রে একটা সমস্যা হলো, আপনি যে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়ায় লিংক শেয়ার করেছেন, সেখান থেকে ট্রাফিক আস্তেই থাকবে, এবং ট্রাফিক নিশ্চয়ই বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে, আর ক্লিক করলেই গুগল বুঝতে পারবে, তা অরগ্যানিক ট্রাফিক নয়। তাই সাময়িক এড বন্ধ রেখে, প্রতিদিন নিয়মিত ওয়েবসাইটে পোস্ট করে যেতে হবে। এবং আগেই বলেছি অরগ্যানিক ট্রাফিক এর সংখ্যা বেড়ে গেলে এড লিমিট দুর হয়ে যাবে। 

সবশেষ উপরে উল্লেখিত কাজ গুলো করেও যদি এড লিমিট না যায়, তাহলে এডসেন্স পৃষ্ঠা থেকে feedback দিবেন, সেখানে আপনি সুন্দর করে রিকুয়েষ্ট করবেন যাতে লিমিট দুর হয়ে যায়।

যদি আপনি ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করেন তাহলে প্লাগইন ব্যবহার করে invalid traffic নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন। কেউ যদি আপনার সাথে শত্রুতা করে invalid click করে তাকে ব্লক করে রাখতে পারবেন।

তবে একসময় সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করতে পারবেন তার জন্য আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে, কিছু কাজ রয়েছে এগুলো যদি পূর্ণ হয়ে যায় তাহলে পরে সমস্যা হবে না, সে বিষয়ে আরেকটি আর্টিকেলে পুরো পুরি তুলে ধরা হবে।

গুগলের নিজস্ব এমন এক ব্যবস্থা রয়েছে যা আপনি ওয়েবসাইটটি কিভাবে ব্যবহার করছেন, তা জানতে পারে, অতএব ফাঁকি দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

একটি ওয়েবসাইটের বয়স যত বেশি হবে, তত বেশি তা rank করবে। গুগল নিজেই তা করিয়ে দেবে। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রাফিকের উপর নির্ভর কমিয়ে ফেলতে হবে। আর সমস্যা সমাধান হলে নিশ্চয়ই কমেন্ট বক্সে তা শেয়ার করুন।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

1 মন্তব্যসমূহ