![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
প্রকাশিত: ১৫ই নভেম্বর ২০২২ ইং।
ই-পাসপোর্টধারীদের অত্যাধুনিক সুবিধা ও সুরক্ষা দিতে মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চালু হলো ৬টি ই-পাসপোর্ট গেট। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল অত্যাধুনিক এ-সকল গেটের উদ্বোধন করেন। এর ফলে মাত্র ১৮ সেকেন্ডেই ই-পাসপোর্টধারীদের ইমিগ্রেশন সম্পন্ন হওয়ার সুযোগ তৈরি হলো।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশেই প্রথম এ ধরনের ই-গেট বা ইলেকট্রনিক গেট স্থাপন হলো। পর্যায়ক্রমে দেশের সব বিমানবন্দরে এই সুবিধা চালু হবে। ই-গেইট চালুর মাধ্যমে নতুন যুগে প্রবেশ করলো শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। প্রথম ধাপে বিদেশ ফেরতদের জন্য তিনটি এবং বিদেশগামীদের জন্য তিনটিসহ মোট ৬টি ই-গেট স্থাপন করা হয়েছে। বর্তমানে দেশের বিমানবন্দরের মধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দরে মোট ৩৮টি ই-গেট স্থাপন করা হয়েছে। প্রক্রিয়াধীন রয়েছে আরও ১২টি ই-গেট স্থাপনের কাজ। ২০২০ সালে চালু হওয়া ই-পাসপোর্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত শক্তিশালী।
আগে যেখানে ইমিগ্ৰেশন শেষ করার জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হতো, বর্তমানে তা ১৮ থেকে সর্বোচ্চ ২২ সেকেন্ডের মধ্যে সম্পন্ন হবে। মূলত একজন যাত্রী ই-গেটের সাহায্যে নিজেই নিজের ইমিগ্রেশন শেষ করবে। যে সমস্ত নিয়ম রয়েছে বিমানবন্দরের দায়িত্বরত ব্যক্তিরা তা যাত্রীদের দেখিয়ে দিচ্ছেন, যাতে সহজেই ইমিগ্ৰেশন শেষ করে করতে পারে। তবে এই সুবিধা ভোগ করবেন যাদের ই-পাসপোর্ট রয়েছে।
এখন থেকে আন্তর্জাতিক যাতায়াতের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নাগরিকদের ভোগান্তিহীন যাতায়াত নিশ্চিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন কর্তৃপক্ষ ।
প্রবাসীরা প্রবাস থেকে, দীর্ঘ এক জার্নি শেষে বিমানবন্দরে পৌঁছান। প্রত্যেক প্রবাসী এটিই চান যে ইমিগ্রেশন চেকিং একেবারেই দ্রুত শেষ হবে। যাতে তারা তাদের গন্তব্য দ্রুত পৌঁছে যায়। বিশেষ করে চট্টগ্রামবাসী এই সুবিধা পাবার পাশাপাশি চট্টগ্রামের বাইরের বাসিন্দাদের জন্যও অত্যান্ত উপকারী।

0 মন্তব্যসমূহ